ঢাকা ১২:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র পাওয়াঃ
Logo কুয়াকাটায় ৩৪ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার Logo মহিপুরে ১০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার, পলাতক ১ Logo মহিপুরে ‘গুড ড্যাডি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত : বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম প্রতিরোধে বাবাদের অঙ্গীকার।। Logo মহিপুর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo মহিপুরে ১ বছরের কারাদণ্ড ও সাড়ে ৫ লাখ টাকার অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার Logo মহিপুরে ১০ মাদক মামলার আসামী শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ‘নুডুলস’ ও তার স্ত্রী গ্রেফতার Logo কুয়াকাটায় ৩ জন শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৪৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার Logo মহিপুরে কৃষক হত্যা মামলার বাদীর বিরুদ্ধে আসামিপক্ষের বাড়িঘর লুটপাটের অভিযোগ Logo মহিপুরে ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার Logo মহিপুরে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের দায়িত্বে অবহেলা ও মালামাল লুটের অভিযোগ
আজকের শিরোনামঃ
Logo কুয়াকাটায় ৩৪ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার Logo মহিপুরে ১০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার, পলাতক ১ Logo মহিপুরে ‘গুড ড্যাডি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত : বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম প্রতিরোধে বাবাদের অঙ্গীকার।। Logo মহিপুর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo মহিপুরে ১ বছরের কারাদণ্ড ও সাড়ে ৫ লাখ টাকার অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার Logo মহিপুরে ১০ মাদক মামলার আসামী শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ‘নুডুলস’ ও তার স্ত্রী গ্রেফতার Logo কুয়াকাটায় ৩ জন শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৪৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার Logo মহিপুরে কৃষক হত্যা মামলার বাদীর বিরুদ্ধে আসামিপক্ষের বাড়িঘর লুটপাটের অভিযোগ Logo মহিপুরে ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার Logo মহিপুরে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের দায়িত্বে অবহেলা ও মালামাল লুটের অভিযোগ

এক ট্রলারে ৪৬ মণ ইলিশ, হাসি ফিরল জেলেদের মুখে: বিক্রি প্রায় অর্ধকোটি টাকা

  • আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪৭৩ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে একটি মাছধরা ট্রলারের জালে ধরা পড়েছে ৪৬ মণ ইলিশ। নিলামে এসব ইলিশ বিক্রি হয়েছে প্রায় ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায়, যা দীর্ঘদিন পর জেলেদের মধ্যে আনন্দের সঞ্চার করেছে।

জানা যায়, গত ৬ আগস্ট পায়রা সমুদ্রবন্দরের শেষ বয়া সংলগ্ন গভীর সাগরে এফবি জুনাইদ নামের একটি মাছধরা ট্রলারে আলমগীর মাঝির জালে বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে ট্রলারটি মাছ নিয়ে মহিপুর মৎস্য বন্দরে পৌঁছালে মনোয়ারা ফিশ আড়তে নিলামের মাধ্যমে মাছগুলো বিক্রি করা হয়।

সূত্রে জানা গেছে, এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ২৪ মণ ইলিশ প্রতি মণ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা (প্রতি কেজি ২,৮৭৫ টাকা) দরে বিক্রি হয়ে ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা পাওয়া যায়।

এছাড়া ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ২২ মণ ইলিশ প্রতি মণ ৯৫ হাজার টাকা দরে প্রতি কেজি ২ হাজার ৩৭৫ টাকা হারে বিক্রি হয়েছে ২০ লাখ ৯০ হাজার টাকা পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে ৪৬ মণ ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায়।

ট্রলারের মাঝি আলমগীর বলেন, প্রায় পাঁচ বছর পর একসঙ্গে এত বড় চালানের ইলিশ পেয়েছি। একবার জাল ফেলতেই প্রায় দুই হাজার ২০০ পিস ইলিশ ধরা পড়ে। দীর্ঘদিনের লোকসানের পর এমন মাছ পেয়ে আমরা খুবই খুশি।

মেসার্স মনোয়ারা ফিশের ম্যানেজার ছগির আকন বলেন, দীর্ঘদিন পর এত বড় চালানের ইলিশ এসেছে। বর্তমানে বাজারে ইলিশের দাম অনেক বেশি থাকায় জেলেরা ভালো মূল্য পেয়েছেন। সচরাচর এত বড় আকারের ইলিশ একসঙ্গে পাওয়া যায় না।

ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডব্লিউসিএস (WCS) ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মোঃ বখতিয়ার রহমান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বেশির ভাগ মাছ ধরার বোটেই কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশের দেখা পাচ্ছে না। তবে এরই মধ্যে একটি ট্রলারে একসঙ্গে ৪৬ মণ ইলিশ ধরা পড়ার ঘটনা নিঃসন্দেহে স্বস্তির খবর এবং জেলেদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে।

তিনি আরো বলেন, একদিনের এই বেশি আহরণকে সামগ্রিকভাবে ইলিশের প্রাচুর্যের সূচক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বিষয়টি ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ ও বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা উচিত। ইলিশের এই ইতিবাচক ধারা ধরে রাখতে জেলেদের সচেতনতা, প্রজনন মৌসুমে মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকা এবং সংরক্ষণ কার্যক্রমের ধারাবাহিক বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, কিছুদিন আগেও সাগরে ইলিশের খরা ছিল। বর্তমানে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে আরও বেশি ইলিশ মিলতে পারে। এতে জেলে, আড়তদারসহ ইলিশ সংশ্লিষ্ট সবাই লাভবান হবেন।

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম
জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়াকাটায় ৩৪ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

এক ট্রলারে ৪৬ মণ ইলিশ, হাসি ফিরল জেলেদের মুখে: বিক্রি প্রায় অর্ধকোটি টাকা

আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে একটি মাছধরা ট্রলারের জালে ধরা পড়েছে ৪৬ মণ ইলিশ। নিলামে এসব ইলিশ বিক্রি হয়েছে প্রায় ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায়, যা দীর্ঘদিন পর জেলেদের মধ্যে আনন্দের সঞ্চার করেছে।

জানা যায়, গত ৬ আগস্ট পায়রা সমুদ্রবন্দরের শেষ বয়া সংলগ্ন গভীর সাগরে এফবি জুনাইদ নামের একটি মাছধরা ট্রলারে আলমগীর মাঝির জালে বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে ট্রলারটি মাছ নিয়ে মহিপুর মৎস্য বন্দরে পৌঁছালে মনোয়ারা ফিশ আড়তে নিলামের মাধ্যমে মাছগুলো বিক্রি করা হয়।

সূত্রে জানা গেছে, এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ২৪ মণ ইলিশ প্রতি মণ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা (প্রতি কেজি ২,৮৭৫ টাকা) দরে বিক্রি হয়ে ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা পাওয়া যায়।

এছাড়া ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ২২ মণ ইলিশ প্রতি মণ ৯৫ হাজার টাকা দরে প্রতি কেজি ২ হাজার ৩৭৫ টাকা হারে বিক্রি হয়েছে ২০ লাখ ৯০ হাজার টাকা পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে ৪৬ মণ ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায়।

ট্রলারের মাঝি আলমগীর বলেন, প্রায় পাঁচ বছর পর একসঙ্গে এত বড় চালানের ইলিশ পেয়েছি। একবার জাল ফেলতেই প্রায় দুই হাজার ২০০ পিস ইলিশ ধরা পড়ে। দীর্ঘদিনের লোকসানের পর এমন মাছ পেয়ে আমরা খুবই খুশি।

মেসার্স মনোয়ারা ফিশের ম্যানেজার ছগির আকন বলেন, দীর্ঘদিন পর এত বড় চালানের ইলিশ এসেছে। বর্তমানে বাজারে ইলিশের দাম অনেক বেশি থাকায় জেলেরা ভালো মূল্য পেয়েছেন। সচরাচর এত বড় আকারের ইলিশ একসঙ্গে পাওয়া যায় না।

ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডব্লিউসিএস (WCS) ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মোঃ বখতিয়ার রহমান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বেশির ভাগ মাছ ধরার বোটেই কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশের দেখা পাচ্ছে না। তবে এরই মধ্যে একটি ট্রলারে একসঙ্গে ৪৬ মণ ইলিশ ধরা পড়ার ঘটনা নিঃসন্দেহে স্বস্তির খবর এবং জেলেদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে।

তিনি আরো বলেন, একদিনের এই বেশি আহরণকে সামগ্রিকভাবে ইলিশের প্রাচুর্যের সূচক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বিষয়টি ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ ও বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা উচিত। ইলিশের এই ইতিবাচক ধারা ধরে রাখতে জেলেদের সচেতনতা, প্রজনন মৌসুমে মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকা এবং সংরক্ষণ কার্যক্রমের ধারাবাহিক বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, কিছুদিন আগেও সাগরে ইলিশের খরা ছিল। বর্তমানে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে আরও বেশি ইলিশ মিলতে পারে। এতে জেলে, আড়তদারসহ ইলিশ সংশ্লিষ্ট সবাই লাভবান হবেন।