ঢাকা ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র পাওয়াঃ
Logo মহিপুরে ১০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার, পলাতক ১ Logo মহিপুরে ‘গুড ড্যাডি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত : বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম প্রতিরোধে বাবাদের অঙ্গীকার।। Logo মহিপুর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo মহিপুরে ১ বছরের কারাদণ্ড ও সাড়ে ৫ লাখ টাকার অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার Logo মহিপুরে ১০ মাদক মামলার আসামী শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ‘নুডুলস’ ও তার স্ত্রী গ্রেফতার Logo কুয়াকাটায় ৩ জন শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৪৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার Logo মহিপুরে কৃষক হত্যা মামলার বাদীর বিরুদ্ধে আসামিপক্ষের বাড়িঘর লুটপাটের অভিযোগ Logo মহিপুরে ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার Logo মহিপুরে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের দায়িত্বে অবহেলা ও মালামাল লুটের অভিযোগ Logo মহিপুরে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, পলাতক ১
আজকের শিরোনামঃ
Logo মহিপুরে ১০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার, পলাতক ১ Logo মহিপুরে ‘গুড ড্যাডি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত : বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম প্রতিরোধে বাবাদের অঙ্গীকার।। Logo মহিপুর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo মহিপুরে ১ বছরের কারাদণ্ড ও সাড়ে ৫ লাখ টাকার অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার Logo মহিপুরে ১০ মাদক মামলার আসামী শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ‘নুডুলস’ ও তার স্ত্রী গ্রেফতার Logo কুয়াকাটায় ৩ জন শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৪৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার Logo মহিপুরে কৃষক হত্যা মামলার বাদীর বিরুদ্ধে আসামিপক্ষের বাড়িঘর লুটপাটের অভিযোগ Logo মহিপুরে ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার Logo মহিপুরে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের দায়িত্বে অবহেলা ও মালামাল লুটের অভিযোগ Logo মহিপুরে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, পলাতক ১

মহিপুরে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের দায়িত্বে অবহেলা ও মালামাল লুটের অভিযোগ

  • আপডেট সময় : ০৫:১০:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪১৭ বার পড়া হয়েছে

উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীর মহিপুর ইউনিয়নের ৫নং নজিপুর গ্রামে একটি সরকারি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের মূল্যবান মালামাল চুরির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, দুর্যোগকালীন সময়ে সাধারণ মানুষের সুরক্ষার জন্য নির্মিত এই আশ্রয়কেন্দ্রটি সংস্কার করেছিল ‘গুড নেইবার্স বাংলাদেশ’। সংস্থাটির ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে স্থাপন করা সোলার প্যানেল, পানির পাম্প, ব্যাটারি ও বৈদ্যুতিক পাখাসহ বিভিন্ন দামি সরঞ্জাম বর্তমানে সম্পূর্ণ লোপাট হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি এই ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রটির রক্ষণাবেক্ষণ দায়িত্বে ছিলেন স্থানীয় প্রভাবশালী ইমরান শিকদার, শাহিন শিকদার সম্প্রতি স্থানীয় এলাকাবাসী আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে দেখতে পান যে, ভবনের ভেতরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি ও বিদ্যুৎ সুরক্ষার সমস্ত সরঞ্জাম উধাও।

​সুবিধাভোগী স্থানীয় একাধিক এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, আশ্রয়কেন্দ্রটি মূলত এলাকার দরিদ্র ও দুস্থ মানুষের সাইক্লোন বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরাই ক্ষমতার অপব্যবহার করে কিংবা চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়ে এসব সরঞ্জাম সরিয়ে ফেলেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা জাহিদ জানান, আমরা গতকাল এখানে এসে দেখতে পাই ভবনের ভিতরে থাকা ইলেকট্রিক মালাম চুরি হয়েছে।

​স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতের আঁধারে বা স্থানীয় কুচক্রী মহলের যোগসাজশে অত্যন্ত সুকৌশলে এসব সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ করা হয়েছে। দুর্যোগের প্রস্তুতিমূলক উপকরণের এমন বেহাল দশা এবং চুরির ঘটনায় পুরো এলাকায় তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।

এ ছাড়াও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, সাইক্লোন শেল্টারের নিজস্ব পুকুরের মাছ বিক্রি করে আত্মসাৎ করেছেন ইমরান শিকদার।

​এ বিষয়ে শাহিন শিকদার জানতে চাইলে তিনি বলেন,আনিও শুনেছি কিছু মালামাল চুরি হয়েছে তবে আমি জানি না কে বা কাহারা নিয়েছে।

বিষয়টি ইমরান শিকদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে বলেন পানির পাম্প বিক্রি করে সেই টাকা দিয়ে ব্যাটারি ও আইপিএস এর রক্ষণাবেক্ষণ কাজে ব্যয় করা হয়।

সাইক্লোন সেল্টার এর পরিচালনা কমিটির সদস্য আবু সিকদার বলেন, বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি, এবং চোর সনাক্ত করতে পেরেছি। মালামাল উদ্ধারের আমাদের চেষ্টা চলছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরিফুজ্জামান জানান, বিষয়টি আমি জানতে পেরেছি, এবং এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

​স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ জনতা অবিলম্বে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা দাবি তুলেছেন, দ্রুত সরেজমিন তদন্ত সাপেক্ষে সরকারি এই মালামাল উদ্ধার করা হোক এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে কেউ সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ করার সাহস না পায়।

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম
জনপ্রিয় সংবাদ

মহিপুরে ১০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার, পলাতক ১

মহিপুরে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের দায়িত্বে অবহেলা ও মালামাল লুটের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:১০:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীর মহিপুর ইউনিয়নের ৫নং নজিপুর গ্রামে একটি সরকারি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের মূল্যবান মালামাল চুরির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, দুর্যোগকালীন সময়ে সাধারণ মানুষের সুরক্ষার জন্য নির্মিত এই আশ্রয়কেন্দ্রটি সংস্কার করেছিল ‘গুড নেইবার্স বাংলাদেশ’। সংস্থাটির ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে স্থাপন করা সোলার প্যানেল, পানির পাম্প, ব্যাটারি ও বৈদ্যুতিক পাখাসহ বিভিন্ন দামি সরঞ্জাম বর্তমানে সম্পূর্ণ লোপাট হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি এই ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রটির রক্ষণাবেক্ষণ দায়িত্বে ছিলেন স্থানীয় প্রভাবশালী ইমরান শিকদার, শাহিন শিকদার সম্প্রতি স্থানীয় এলাকাবাসী আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে দেখতে পান যে, ভবনের ভেতরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি ও বিদ্যুৎ সুরক্ষার সমস্ত সরঞ্জাম উধাও।

​সুবিধাভোগী স্থানীয় একাধিক এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, আশ্রয়কেন্দ্রটি মূলত এলাকার দরিদ্র ও দুস্থ মানুষের সাইক্লোন বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরাই ক্ষমতার অপব্যবহার করে কিংবা চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়ে এসব সরঞ্জাম সরিয়ে ফেলেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা জাহিদ জানান, আমরা গতকাল এখানে এসে দেখতে পাই ভবনের ভিতরে থাকা ইলেকট্রিক মালাম চুরি হয়েছে।

​স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতের আঁধারে বা স্থানীয় কুচক্রী মহলের যোগসাজশে অত্যন্ত সুকৌশলে এসব সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ করা হয়েছে। দুর্যোগের প্রস্তুতিমূলক উপকরণের এমন বেহাল দশা এবং চুরির ঘটনায় পুরো এলাকায় তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।

এ ছাড়াও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, সাইক্লোন শেল্টারের নিজস্ব পুকুরের মাছ বিক্রি করে আত্মসাৎ করেছেন ইমরান শিকদার।

​এ বিষয়ে শাহিন শিকদার জানতে চাইলে তিনি বলেন,আনিও শুনেছি কিছু মালামাল চুরি হয়েছে তবে আমি জানি না কে বা কাহারা নিয়েছে।

বিষয়টি ইমরান শিকদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে বলেন পানির পাম্প বিক্রি করে সেই টাকা দিয়ে ব্যাটারি ও আইপিএস এর রক্ষণাবেক্ষণ কাজে ব্যয় করা হয়।

সাইক্লোন সেল্টার এর পরিচালনা কমিটির সদস্য আবু সিকদার বলেন, বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি, এবং চোর সনাক্ত করতে পেরেছি। মালামাল উদ্ধারের আমাদের চেষ্টা চলছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরিফুজ্জামান জানান, বিষয়টি আমি জানতে পেরেছি, এবং এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

​স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ জনতা অবিলম্বে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা দাবি তুলেছেন, দ্রুত সরেজমিন তদন্ত সাপেক্ষে সরকারি এই মালামাল উদ্ধার করা হোক এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে কেউ সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ করার সাহস না পায়।