পটুয়াখালী বন্দর (মালামাল বোঝাই ও খালাস) নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের (রেজি নং খুলনা-২৩০০) নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন মো: রবিউল ইসলাম (অন্তর)। তরুণ এই নেতার অর্জনে স্থানীয় শ্রমিক সমাজ ও তাঁর অনুসারীদের মাঝে আনন্দ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
নির্বাচনের সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও অনুমোদন
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের তারিখ: ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রতিটি পদে একাধিক প্রার্থী না থাকায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।
গত ২০ জুলাই ২০২৬ তারিখে শ্রম অধিদপ্তর, আঞ্চলিক শ্রম দপ্তর (বরিশাল) কতৃক নতুন এই কমিটির সর্বসম্মত অনুমোদন ও প্রত্যয়নপত্র প্রদান করা হয়।
নবগঠিত এই কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদকাল আগামী ৩ (তিন) বছর।
পরিচিতি ও আন্দোলন-সংগ্রামে সম্পৃক্ততা
নবনির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক মো: রবিউল (অন্তর) পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের কৃতি সন্তান।
এলাকার সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে তিনি পরিচিত মুখ। বিশেষ করে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্ষতিগ্রস্ত ও বঞ্চিত পরিবারের বিভিন্ন দাবি নিয়ে জোরালো আন্দোলন এবং এলাকার বিভিন্ন যৌক্তিক জনস্বার্থমূলক বিষয়ে প্রতিবাদ করে তিনি সর্বমহলে আলোচনায় আসেন। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি তাঁর সততা ও সাহসিকতার জন্য এলাকাবাসী ও শ্রমিক সমাজের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
নবনির্বাচিত নেতার প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
দায়িত্ব গ্রহণের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মো: রবিউল (অন্তর) কুয়াকাটা টাইমসকে বলেন,
”বিগত দিনে শ্রম মন্ত্রণালয়ের লাইসেন্সধারী প্রকৃত শ্রমিকদের কাজ করার কথা থাকলেও একটি অবৈধ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তা পরিচালিত হয়ে আসছিল। খুব দ্রুত এই অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের অবসান ঘটানো হবে। প্রকৃত শ্রমিকরা যাতে তাদের প্রাপ্য কাজ ও ন্যায্য অধিকার সঠিকভাবে বুঝে পায়, তা নিশ্চিত করার জোরালো প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।”
তিনি আরও জানান, সংগঠনের স্বার্থ রক্ষা, নৌযান শ্রমিকদের নায্য দাবি আদায় এবং ইউনিয়নের সার্বিক কার্যক্রমকে শতভাগ স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে তিনি নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করবেন।
শ্রমিক মহলে আশার সঞ্চার
স্থানীয় নৌযান শ্রমিকদের মতে, অন্তরের মতো একজন তরুণ, লড়াকু ও সাহসী মুখ সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়ায় ইউনিয়নের কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অনিয়ম ও সিন্ডিকেট প্রথার বিরুদ্ধে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবেন—এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ শ্রমিকদের।










