পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আলোচিত হারিচ আহমেদ ওরফে মজিবুর হত্যা মামলায় ধুলাসার ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জসিম উদ্দিন খন্দকারকে আসামি করার প্রতিবাদে এবং মামলা থেকে তার নাম প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।
সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ৫ নং ওয়ার্ডের ‘সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ’-এর ব্যানারে তাড়িকাটা দাখিল মাদরাসার সামনের সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় নারী-পুরুষসহ পাঁচ শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, ঘটনার সময় ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন খন্দকার নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। হামলার খবর পেয়ে তিনি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং গুরুতর আহত ও রক্তাক্ত হারিচ আহমেদকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। কিন্তু মানবিক দায়িত্ব পালন করার পরও তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ও ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
বক্তারা আরও বলেন, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে একজন জনপ্রতিনিধিকে এ ধরনের মামলায় জড়ানো অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। তারা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন খন্দকারের নাম মামলা থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানান।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন খন্দকারের স্ত্রী নাসিমা বেগম, ছেলে সোহেল খন্দকার, স্থানীয় জামাল শিকদার, শহিদুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
প্রসঙ্গত, গত ১৯ জুলাই জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে উপজেলার নয়াকাটা গ্রামে হারিচ আহমেদ ওরফে মজিবুরের ওপর নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সাইফুল ইসলাম বাবুল বাদী হয়ে ১৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০ জনকে আসামি করে মহিপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ইতোমধ্যে মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।










