ঢাকা ১০:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র পাওয়াঃ
Logo পটুয়াখালী বন্দর নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর Logo কলাপাড়ায় হারিচ হত্যা মামলায় ইউপি সদস্য জসিমকে আসামি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন Logo কলাপাড়ায় প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ:থানায় মামলা। Logo মহিপুরে মুদি ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা: আ. লীগ নেতার ছেলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ Logo মহিপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বৃদ্ধ নিহত: নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার ১ জন Logo মহিপুর যুবদল নেতার মারধরের অভিযোগ প্রমাণিত: তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা মহিপুর থানা বিএনপির ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বাস্তব উদাহরণ Logo মহিপুরে ১১ বছরের শিশুকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা: ৬৫ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ট্যাংক বিতরণে দুর্নীতির অভিযোগ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে Logo মহিপুর ইউনিয়ন জামায়াত নেতার পদত্যাগ: কারণ হিসেবে নৈতিক অবক্ষয়ের অভিযোগ Logo মহিপুরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উদযাপিত
আজকের শিরোনামঃ
Logo পটুয়াখালী বন্দর নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর Logo কলাপাড়ায় হারিচ হত্যা মামলায় ইউপি সদস্য জসিমকে আসামি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন Logo কলাপাড়ায় প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ:থানায় মামলা। Logo মহিপুরে মুদি ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা: আ. লীগ নেতার ছেলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ Logo মহিপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বৃদ্ধ নিহত: নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার ১ জন Logo মহিপুর যুবদল নেতার মারধরের অভিযোগ প্রমাণিত: তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা মহিপুর থানা বিএনপির ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বাস্তব উদাহরণ Logo মহিপুরে ১১ বছরের শিশুকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা: ৬৫ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ট্যাংক বিতরণে দুর্নীতির অভিযোগ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে Logo মহিপুর ইউনিয়ন জামায়াত নেতার পদত্যাগ: কারণ হিসেবে নৈতিক অবক্ষয়ের অভিযোগ Logo মহিপুরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উদযাপিত

অভিভাবকহীন কুয়াকাটা, প্রবেশ ধারেই অসৌন্দর্য, পর্যটকদের ক্ষোভ। 

  • আপডেট সময় : ০৩:০৯:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • ৪৬০ বার পড়া হয়েছে

দেশের অন্যতম পর্যটন নগরী​‘সাগরকন্যা’ কুয়াকাটা দিন দিন শ্রীহীন হয়ে পড়ছে। যেখানে  প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক ছুটে আসেন সমুদ্রের নীল জলরাশি আর সূর্যাস্তের সৌন্দর্য উপভোগ করতে। অথচ পর্যটন নগরীর মূল বাসস্ট্যান্ডে এবং প্রবেশপথ দর্শনার্থীদের স্বাগত জানাচ্ছে ময়লা আবর্জনা আর অব্যবস্থাপনায় রুপ নিচ্ছে । যা একদিকে যেমন কুয়াকাটার ভাবমূর্তি সংকটে অন্যদিকে স্থানীয় প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে সচেতন মহলে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে দেখা যায়, কুয়াকাটার প্রবেশদ্বারে নির্মিত ‘ওয়েলকাম কুয়াকাটা’ ফলকটির ঠিক পাশেই গড়ে উঠেছে কয়েকটি কাঠে চেরাইয়ের কারখানা। বাসস্ট্যান্ডের ভিতরে যাত্রী ছাউনি আশেপাশে ময়লার স্তুপ হয়ে পড়ে থাকে। পরিষ্কারের নামে চলছে তালবাহানা। অপরদিকে যত্রতত্র ফেলে রাখা হয় চেরাইগাছ মহাসড়কে।  যেখানে বিপুল পরিমাণ কাঠের গুঁড়ি ও টুকরো। স্থাপনাটির গা ঘেঁষে গড়ে ওঠা এই ঘিঞ্জি পরিবেশ পর্যটন শহরের শোভাবর্ধনকারী তোরণটিকে করেছে শ্রীহীন।

একটি পর্যটন নগরীর প্রবেশদ্বার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং নান্দনিক হওয়া বাঞ্ছনীয়। কিন্তু কুয়াকাটার এই দৃশ্য যেন উন্নয়নের উল্টো চিত্র। স্থানীয়রা বলছেন, যেখানে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকার কথা, সেখানে পৌরসভার প্রবেশপথেই এমন দখল ও পরিবেশ নষ্ট করার মতো কর্মকাণ্ড কীভাবে দিনের পর দিন চলছে? স্থানীয় অভিভাবক বা দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার এমন পরিস্থিত দায়ী করছেন।

কুয়াকাটায় ঘুরতে আসা পর্যটকরা আলিম মাহমুদ (৩৫) জানান, পর্যটন স্পটের শুরুতেই এমন বিশৃঙ্খল পরিবেশ প্রথম দেখাতেই  আমার মনটা খারাপ লাগছে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব এ শহরে ফেলবে।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নিয়মিত পর্যটক বলেন, “কুয়াকাটার যে নান্দনিক রূপের কথা আমরা শুনি, তার সাথে প্রবেশপথের এই চিত্র মোটেও কাম্য নয়। কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত এটি অপসারণ করে পর্যটন নগরী পরিষ্কার করে সৌন্দর্য বর্ধনে ফিরে আনা।

কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরামের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও হোটেল ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন বাবুল ভূইয়া বলেন। আমরা দেখছি সম্প্রীতি দেশের প্রধানমন্ত্রী ও আমাদের এমপি মহোদয় কুয়াকাটার প্রতি তাদের আলাদা নজর আছেন। কিন্তু স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে তাদের তেমন  গুরুত্ব নেই । আমরা চাইবো দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে কুয়াকাটাকে সৌন্দর্য বর্ধন করে দৃষ্টি নন্দিত পর্যটন নগরীতে পরিণত করা।

এ ব্যাপারে কলাপাড়া উপজেলার ভূমি কর্মকর্তা ও কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ইয়াসিন সাদেক বলেন , আমি এখনই ভূমি অফিস কর্মকর্তাকে পাঠাচ্ছি অবৈধ জায়গায় ঘর হলে উচ্ছেদ করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় ফিরিয়ে আনবো এবং বাস স্ট্যান্ড পরিচ্ছন্ন কর্মী দ্বারা নিয়োগের নিয়মিত পরিচ্ছন্ন করে রাখার ব্যবস্থা নিব।

দেশের গুরুত্বপূর্ণপর্যটন শিল্পের মধ্যে কুয়াকাটার ব্র্যান্ডিং করা হলেও মাঠপর্যায়ে তার প্রতিফলন কতটা—তা নিয়ে জনমনের প্রশ্ন উঠেছে। নাগরিক সমাজ ও স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত এই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং প্রবেশপথের সৌন্দর্য পুনরুদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

পটুয়াখালী বন্দর নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর

অভিভাবকহীন কুয়াকাটা, প্রবেশ ধারেই অসৌন্দর্য, পর্যটকদের ক্ষোভ। 

আপডেট সময় : ০৩:০৯:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

দেশের অন্যতম পর্যটন নগরী​‘সাগরকন্যা’ কুয়াকাটা দিন দিন শ্রীহীন হয়ে পড়ছে। যেখানে  প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক ছুটে আসেন সমুদ্রের নীল জলরাশি আর সূর্যাস্তের সৌন্দর্য উপভোগ করতে। অথচ পর্যটন নগরীর মূল বাসস্ট্যান্ডে এবং প্রবেশপথ দর্শনার্থীদের স্বাগত জানাচ্ছে ময়লা আবর্জনা আর অব্যবস্থাপনায় রুপ নিচ্ছে । যা একদিকে যেমন কুয়াকাটার ভাবমূর্তি সংকটে অন্যদিকে স্থানীয় প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে সচেতন মহলে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে দেখা যায়, কুয়াকাটার প্রবেশদ্বারে নির্মিত ‘ওয়েলকাম কুয়াকাটা’ ফলকটির ঠিক পাশেই গড়ে উঠেছে কয়েকটি কাঠে চেরাইয়ের কারখানা। বাসস্ট্যান্ডের ভিতরে যাত্রী ছাউনি আশেপাশে ময়লার স্তুপ হয়ে পড়ে থাকে। পরিষ্কারের নামে চলছে তালবাহানা। অপরদিকে যত্রতত্র ফেলে রাখা হয় চেরাইগাছ মহাসড়কে।  যেখানে বিপুল পরিমাণ কাঠের গুঁড়ি ও টুকরো। স্থাপনাটির গা ঘেঁষে গড়ে ওঠা এই ঘিঞ্জি পরিবেশ পর্যটন শহরের শোভাবর্ধনকারী তোরণটিকে করেছে শ্রীহীন।

একটি পর্যটন নগরীর প্রবেশদ্বার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং নান্দনিক হওয়া বাঞ্ছনীয়। কিন্তু কুয়াকাটার এই দৃশ্য যেন উন্নয়নের উল্টো চিত্র। স্থানীয়রা বলছেন, যেখানে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকার কথা, সেখানে পৌরসভার প্রবেশপথেই এমন দখল ও পরিবেশ নষ্ট করার মতো কর্মকাণ্ড কীভাবে দিনের পর দিন চলছে? স্থানীয় অভিভাবক বা দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার এমন পরিস্থিত দায়ী করছেন।

কুয়াকাটায় ঘুরতে আসা পর্যটকরা আলিম মাহমুদ (৩৫) জানান, পর্যটন স্পটের শুরুতেই এমন বিশৃঙ্খল পরিবেশ প্রথম দেখাতেই  আমার মনটা খারাপ লাগছে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব এ শহরে ফেলবে।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নিয়মিত পর্যটক বলেন, “কুয়াকাটার যে নান্দনিক রূপের কথা আমরা শুনি, তার সাথে প্রবেশপথের এই চিত্র মোটেও কাম্য নয়। কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত এটি অপসারণ করে পর্যটন নগরী পরিষ্কার করে সৌন্দর্য বর্ধনে ফিরে আনা।

কুয়াকাটা উন্নয়ন ফোরামের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও হোটেল ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন বাবুল ভূইয়া বলেন। আমরা দেখছি সম্প্রীতি দেশের প্রধানমন্ত্রী ও আমাদের এমপি মহোদয় কুয়াকাটার প্রতি তাদের আলাদা নজর আছেন। কিন্তু স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে তাদের তেমন  গুরুত্ব নেই । আমরা চাইবো দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে কুয়াকাটাকে সৌন্দর্য বর্ধন করে দৃষ্টি নন্দিত পর্যটন নগরীতে পরিণত করা।

এ ব্যাপারে কলাপাড়া উপজেলার ভূমি কর্মকর্তা ও কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ইয়াসিন সাদেক বলেন , আমি এখনই ভূমি অফিস কর্মকর্তাকে পাঠাচ্ছি অবৈধ জায়গায় ঘর হলে উচ্ছেদ করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় ফিরিয়ে আনবো এবং বাস স্ট্যান্ড পরিচ্ছন্ন কর্মী দ্বারা নিয়োগের নিয়মিত পরিচ্ছন্ন করে রাখার ব্যবস্থা নিব।

দেশের গুরুত্বপূর্ণপর্যটন শিল্পের মধ্যে কুয়াকাটার ব্র্যান্ডিং করা হলেও মাঠপর্যায়ে তার প্রতিফলন কতটা—তা নিয়ে জনমনের প্রশ্ন উঠেছে। নাগরিক সমাজ ও স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত এই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং প্রবেশপথের সৌন্দর্য পুনরুদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।