ঢাকা ১০:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র পাওয়াঃ
Logo পটুয়াখালী বন্দর নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর Logo কলাপাড়ায় হারিচ হত্যা মামলায় ইউপি সদস্য জসিমকে আসামি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন Logo কলাপাড়ায় প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ:থানায় মামলা। Logo মহিপুরে মুদি ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা: আ. লীগ নেতার ছেলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ Logo মহিপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বৃদ্ধ নিহত: নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার ১ জন Logo মহিপুর যুবদল নেতার মারধরের অভিযোগ প্রমাণিত: তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা মহিপুর থানা বিএনপির ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বাস্তব উদাহরণ Logo মহিপুরে ১১ বছরের শিশুকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা: ৬৫ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ট্যাংক বিতরণে দুর্নীতির অভিযোগ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে Logo মহিপুর ইউনিয়ন জামায়াত নেতার পদত্যাগ: কারণ হিসেবে নৈতিক অবক্ষয়ের অভিযোগ Logo মহিপুরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উদযাপিত
আজকের শিরোনামঃ
Logo পটুয়াখালী বন্দর নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর Logo কলাপাড়ায় হারিচ হত্যা মামলায় ইউপি সদস্য জসিমকে আসামি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন Logo কলাপাড়ায় প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ:থানায় মামলা। Logo মহিপুরে মুদি ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা: আ. লীগ নেতার ছেলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ Logo মহিপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বৃদ্ধ নিহত: নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার ১ জন Logo মহিপুর যুবদল নেতার মারধরের অভিযোগ প্রমাণিত: তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা মহিপুর থানা বিএনপির ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বাস্তব উদাহরণ Logo মহিপুরে ১১ বছরের শিশুকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা: ৬৫ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ট্যাংক বিতরণে দুর্নীতির অভিযোগ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে Logo মহিপুর ইউনিয়ন জামায়াত নেতার পদত্যাগ: কারণ হিসেবে নৈতিক অবক্ষয়ের অভিযোগ Logo মহিপুরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উদযাপিত

দুই পা হারানো সিরাজের জীবন বদলাল ‘ভালোবাসার দোকান’

  • আপডেট সময় : ০৮:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
  • ৪৫৪ বার পড়া হয়েছে

দুইডা পাও কাইট্যা হালানোর পর মুই মানুষের দুয়ারে দুয়ারে ভিক্ষা কইর‍্যা খাইতাম। এহন আর মোর ভিক্ষা করোন লাগবে না। মুই এহন দোহানের লাভের ট্যাহা দিয়া বউ-পোলা লইয়া খাইতে পারমু।”
​আবেগাপ্লুত কণ্ঠে কথাগুলো বলছিলেন বরগুনার আমতলী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. সিরাজুল ইসলাম আকন (৫৫)। সড়ক দুর্ঘটনায় দুই পা হারিয়ে যিনি একসময় পঙ্গুত্ব ও চরম অর্থকষ্টের মুখোমুখি হয়েছিলেন, আজ তার জীবনে ফিরে এসেছে নতুন আশার আলো। আর এই আলোর দিশারী হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘জাহানারা লতিফ মোল্লা ফাউন্ডেশন’। সংগঠনটির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘ভালোবাসার দোকান’-এর মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়িয়েছে সিরাজের সংসার।
​যেভাবে থমকে গিয়েছিল জীবন
​খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিরাজুল ইসলাম দীর্ঘদিন ঢাকায় ভ্যানচালক হিসেবে কাজ করতেন। দোকানে দোকানে মালামাল পরিবহন করে যা আয় হতো, তা দিয়েই সুখে-শান্তিতে চলছিল তার পরিবার। কিন্তু ২০২৩ সালের ৬ ডিসেম্বর একটি নির্মম দুর্ঘটনা তার জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দিতে বসে।
​ছুটি শেষে ঢাকায় ফেরার পথে আমতলী-পটুয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের কালিবাড়ি এলাকায় বরিশাল সেনানিবাসের একটি জীপের সঙ্গে যাত্রীবাহী অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিরাজসহ ছয়জন গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনায় সিরাজের দুই পা পুরোপুরি চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়।
​চিকিৎসা খরচ ও ভিক্ষাবৃত্তি
​গুরুতর আহত সিরাজকে বাঁচাতে বরিশাল ও ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা করাতে হয়। চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে গিয়ে সিরাজকে তার নিজের ও পৈত্রিক সব জমিজমা বিক্রি করে দিতে হয়। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের পরামর্শে তার দুই পা-ই কেটে ফেলতে হয়। কর্মক্ষমতা হারিয়ে সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে পরিবার বাঁচাতে একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে ভিক্ষাবৃত্তিতে নামেন তিনি।
​যেভাবে এলো ‘ভালোবাসার দোকান’
​সিরাজের এই চরম অসহায়ত্বের খবর পৌঁছায় জাহানারা লতিফ মোল্লা ফাউন্ডেশনের সভাপতি সাংবাদিক মো. জাকির হোসেন ও সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা প্রবাসী জিয়াউর রহমানের কাছে। তারা সিরাজের খোঁজ নেন এবং তাকে ভিক্ষাবৃত্তি থেকে মুক্ত করে স্বাবলম্বী করার সিদ্ধান্ত নেন।
​সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আমতলী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে সিরাজের বাড়ির সামনে “টি পয়েন্ট” নামে একটি চমৎকার দোকান ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়। শুধু দোকানই নয়, ব্যবসা শুরু করার জন্য মুদি পণ্য, মনোহরি সামগ্রী, চা-বিস্কুটসহ প্রায় ৩০ হাজার টাকার মালামালও তুলে দেওয়া হয় তার হাতে।
​আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও আনন্দাশ্রু
​গত রবিবার বিকেল ৪টায় ফিতা কেটে এই ‘ভালোবাসার দোকান’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন আমতলী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মানজুরুল হক কাওছার।
​নতুন দোকান পেয়ে চোখে আনন্দের জল নিয়ে সিরাজুল ইসলাম বলেন:
​”এহন আর মোর ভিক্ষা কইর‍্যা খাওন লাগবে না। দোহান দিয়া মুই ভালো থাকতি পারমু। জাহানারা লতিফ মোল্লা ফাউন্ডেশন মোর জীবনের একটা গতি কইর‍্যা দিছে। আল্লাহ যেন হেগো আরো তৌফিক দেন মানুষরে সাহায্য করার।”
​সিরাজের স্ত্রী লাকী বেগমও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “মোগো দোকানডা দিয়া ফাউন্ডেশন অনেক উপকার করছে। আল্লাহ যেন হেগো ভালো রাখে।”
​সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য
​জাহানারা লতিফ মোল্লা ফাউন্ডেশনের সভাপতি সাংবাদিক জাকির হোসেন বলেন, “আমাদের বাবা-মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের মূল লক্ষ্যই হচ্ছে সমাজ ও দেশের অসহায়-দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো। সিরাজ ভাইকে স্বাবলম্বী করতে পেরে আমাদের ভালো লাগছে। ভবিষ্যতেও আমাদের এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
​উদ্বোধক ও আমতলী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মানজুরুল হক কাওছার ফাউন্ডেশনের প্রশংসা করে বলেন:
​“জাহানারা লতিফ মোল্লা ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে অসহায় মানুষ, প্রতিবন্ধী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিরলসভাবে সহযোগিতা করে আসছে। সিরাজুল ইসলামের মতো একজন অসহায় মানুষকে পুনর্বাসিত করার এই মানবিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয় এবং সমাজের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।”

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

পটুয়াখালী বন্দর নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর

দুই পা হারানো সিরাজের জীবন বদলাল ‘ভালোবাসার দোকান’

আপডেট সময় : ০৮:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

দুইডা পাও কাইট্যা হালানোর পর মুই মানুষের দুয়ারে দুয়ারে ভিক্ষা কইর‍্যা খাইতাম। এহন আর মোর ভিক্ষা করোন লাগবে না। মুই এহন দোহানের লাভের ট্যাহা দিয়া বউ-পোলা লইয়া খাইতে পারমু।”
​আবেগাপ্লুত কণ্ঠে কথাগুলো বলছিলেন বরগুনার আমতলী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. সিরাজুল ইসলাম আকন (৫৫)। সড়ক দুর্ঘটনায় দুই পা হারিয়ে যিনি একসময় পঙ্গুত্ব ও চরম অর্থকষ্টের মুখোমুখি হয়েছিলেন, আজ তার জীবনে ফিরে এসেছে নতুন আশার আলো। আর এই আলোর দিশারী হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘জাহানারা লতিফ মোল্লা ফাউন্ডেশন’। সংগঠনটির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘ভালোবাসার দোকান’-এর মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়িয়েছে সিরাজের সংসার।
​যেভাবে থমকে গিয়েছিল জীবন
​খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিরাজুল ইসলাম দীর্ঘদিন ঢাকায় ভ্যানচালক হিসেবে কাজ করতেন। দোকানে দোকানে মালামাল পরিবহন করে যা আয় হতো, তা দিয়েই সুখে-শান্তিতে চলছিল তার পরিবার। কিন্তু ২০২৩ সালের ৬ ডিসেম্বর একটি নির্মম দুর্ঘটনা তার জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দিতে বসে।
​ছুটি শেষে ঢাকায় ফেরার পথে আমতলী-পটুয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের কালিবাড়ি এলাকায় বরিশাল সেনানিবাসের একটি জীপের সঙ্গে যাত্রীবাহী অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিরাজসহ ছয়জন গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনায় সিরাজের দুই পা পুরোপুরি চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়।
​চিকিৎসা খরচ ও ভিক্ষাবৃত্তি
​গুরুতর আহত সিরাজকে বাঁচাতে বরিশাল ও ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা করাতে হয়। চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে গিয়ে সিরাজকে তার নিজের ও পৈত্রিক সব জমিজমা বিক্রি করে দিতে হয়। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের পরামর্শে তার দুই পা-ই কেটে ফেলতে হয়। কর্মক্ষমতা হারিয়ে সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে পরিবার বাঁচাতে একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে ভিক্ষাবৃত্তিতে নামেন তিনি।
​যেভাবে এলো ‘ভালোবাসার দোকান’
​সিরাজের এই চরম অসহায়ত্বের খবর পৌঁছায় জাহানারা লতিফ মোল্লা ফাউন্ডেশনের সভাপতি সাংবাদিক মো. জাকির হোসেন ও সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা প্রবাসী জিয়াউর রহমানের কাছে। তারা সিরাজের খোঁজ নেন এবং তাকে ভিক্ষাবৃত্তি থেকে মুক্ত করে স্বাবলম্বী করার সিদ্ধান্ত নেন।
​সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আমতলী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে সিরাজের বাড়ির সামনে “টি পয়েন্ট” নামে একটি চমৎকার দোকান ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়। শুধু দোকানই নয়, ব্যবসা শুরু করার জন্য মুদি পণ্য, মনোহরি সামগ্রী, চা-বিস্কুটসহ প্রায় ৩০ হাজার টাকার মালামালও তুলে দেওয়া হয় তার হাতে।
​আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও আনন্দাশ্রু
​গত রবিবার বিকেল ৪টায় ফিতা কেটে এই ‘ভালোবাসার দোকান’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন আমতলী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মানজুরুল হক কাওছার।
​নতুন দোকান পেয়ে চোখে আনন্দের জল নিয়ে সিরাজুল ইসলাম বলেন:
​”এহন আর মোর ভিক্ষা কইর‍্যা খাওন লাগবে না। দোহান দিয়া মুই ভালো থাকতি পারমু। জাহানারা লতিফ মোল্লা ফাউন্ডেশন মোর জীবনের একটা গতি কইর‍্যা দিছে। আল্লাহ যেন হেগো আরো তৌফিক দেন মানুষরে সাহায্য করার।”
​সিরাজের স্ত্রী লাকী বেগমও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “মোগো দোকানডা দিয়া ফাউন্ডেশন অনেক উপকার করছে। আল্লাহ যেন হেগো ভালো রাখে।”
​সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য
​জাহানারা লতিফ মোল্লা ফাউন্ডেশনের সভাপতি সাংবাদিক জাকির হোসেন বলেন, “আমাদের বাবা-মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের মূল লক্ষ্যই হচ্ছে সমাজ ও দেশের অসহায়-দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো। সিরাজ ভাইকে স্বাবলম্বী করতে পেরে আমাদের ভালো লাগছে। ভবিষ্যতেও আমাদের এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
​উদ্বোধক ও আমতলী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মানজুরুল হক কাওছার ফাউন্ডেশনের প্রশংসা করে বলেন:
​“জাহানারা লতিফ মোল্লা ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে অসহায় মানুষ, প্রতিবন্ধী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিরলসভাবে সহযোগিতা করে আসছে। সিরাজুল ইসলামের মতো একজন অসহায় মানুষকে পুনর্বাসিত করার এই মানবিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয় এবং সমাজের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।”