ঢাকা ১০:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র পাওয়াঃ
Logo পটুয়াখালী বন্দর নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর Logo কলাপাড়ায় হারিচ হত্যা মামলায় ইউপি সদস্য জসিমকে আসামি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন Logo কলাপাড়ায় প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ:থানায় মামলা। Logo মহিপুরে মুদি ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা: আ. লীগ নেতার ছেলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ Logo মহিপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বৃদ্ধ নিহত: নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার ১ জন Logo মহিপুর যুবদল নেতার মারধরের অভিযোগ প্রমাণিত: তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা মহিপুর থানা বিএনপির ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বাস্তব উদাহরণ Logo মহিপুরে ১১ বছরের শিশুকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা: ৬৫ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ট্যাংক বিতরণে দুর্নীতির অভিযোগ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে Logo মহিপুর ইউনিয়ন জামায়াত নেতার পদত্যাগ: কারণ হিসেবে নৈতিক অবক্ষয়ের অভিযোগ Logo মহিপুরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উদযাপিত
আজকের শিরোনামঃ
Logo পটুয়াখালী বন্দর নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর Logo কলাপাড়ায় হারিচ হত্যা মামলায় ইউপি সদস্য জসিমকে আসামি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন Logo কলাপাড়ায় প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ:থানায় মামলা। Logo মহিপুরে মুদি ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা: আ. লীগ নেতার ছেলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ Logo মহিপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বৃদ্ধ নিহত: নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার ১ জন Logo মহিপুর যুবদল নেতার মারধরের অভিযোগ প্রমাণিত: তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা মহিপুর থানা বিএনপির ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বাস্তব উদাহরণ Logo মহিপুরে ১১ বছরের শিশুকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা: ৬৫ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ট্যাংক বিতরণে দুর্নীতির অভিযোগ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে Logo মহিপুর ইউনিয়ন জামায়াত নেতার পদত্যাগ: কারণ হিসেবে নৈতিক অবক্ষয়ের অভিযোগ Logo মহিপুরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উদযাপিত

রাতের আঁধারে কিশোর-কিশোরীর বাল্যবিয়ে, তথ্য গোপন ও সাংবাদিকদের হুমকি ধামকি! ‎

  • আপডেট সময় : ১১:০৯:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • ৪৪৮ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর মহিপুরের পশ্চিম ইউসুফপুর গ্রামে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে এক বাল্যবিয়ের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শনিবার (৬ জুন) রাতে বরের নিজ বাড়িতে এ বাল্য বিয়ের ঘটনা ঘটে।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিম ইউসুফপুর গ্রামের জিলাপিতলা -নামক স্থানে গত রাতে এই বাল্যবিয়ের আয়োজন করা হয়। বরের নাম মো: সোহাগ (১৭), সে স্থানীয় বাসিন্দা মো: শাহজালালের ছেলে। কনে মোসা: হাবিবা (১৬), যার বাড়ি ভুরঘাটা এলাকায়। আইন অনুযায়ী ছেলে ও মেয়ে—দুজনের কেউই বিয়ের আইনসম্মত বয়সে পৌঁছায়নি বলে জানাযায়। স্থানীয় গ্রাম পুলিশ প্রসেংজিৎ বিষয়টি জেনেও কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

‎বরের মা মোসা. পারভীন বেগম জানান, গত ৫ জুন হাবিবা নিজ বাড়ি থেকে চলে এসে তাদের বাড়িতে অবস্থান নেয়। পরে মেয়ের পরিবারকে খবর দেওয়া হলে তারা এসে মেয়েকে নিজেদের জিম্মায় নিয়ে যান। কিন্তু কয়েকদিন পর মেয়েটি পুনরায় তাদের বাড়িতে চলে এলে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বিয়ের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয় বলে তিনি দাবি করেন।
‎অন্যদিকে বরের বাবা মো. শাহজালাল বিয়ের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, “আমি রাতে বাড়িতে ছিলাম না। একটি মেয়ে আমাদের বাড়িতে এসেছে, সেটি জানি। তবে কোনো বিয়ে হয়নি।”

‎অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার সংবাদ প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়ার পর বরের বাবা ও কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি এক সংবাদকর্মীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে তাকে হুমকি দেন।

‎এদিকে বাল্যবিয়ের তথ্য সংগ্রহ করতে স্থানীয় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে বরের বড় ভাই মো. সোহেল তাদের কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে ভয়ভীতি প্রদর্শনেরও অভিযোগ রয়েছে।

‎স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাল্যবিয়ে রোধে যেখানে গ্রাম পুলিশের তৎপর থাকার কথা, সেখানে এই বিয়ের বিষয়টি স্থানীয় গ্রাম পুলিশ পুরোপুরি অবগত ছিলেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তিনি কোনো আইনগত পদক্ষেপ নেননি। যথাসময় পদক্ষেপ নেয়া হলে বাল্য বিয়েটি বন্ধ করা সম্ভব হতো। তাদের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন ভূমিকা এবং প্রভাবশালীদের হুমকির কারণে এলাকায় অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে।

‎এই প্রতিবেদন লেখার আগ পর্যন্ত ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন বা থানা পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। সচেতন মহল এই বাল্যবিয়ে বন্ধ করাসহ কর্তব্যরত সাংবাদিকদের হুমকি প্রদানকারী মো: সোহেল ও মো: শাহজালালসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

পটুয়াখালী বন্দর নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর

রাতের আঁধারে কিশোর-কিশোরীর বাল্যবিয়ে, তথ্য গোপন ও সাংবাদিকদের হুমকি ধামকি! ‎

আপডেট সময় : ১১:০৯:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

পটুয়াখালীর মহিপুরের পশ্চিম ইউসুফপুর গ্রামে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে এক বাল্যবিয়ের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শনিবার (৬ জুন) রাতে বরের নিজ বাড়িতে এ বাল্য বিয়ের ঘটনা ঘটে।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিম ইউসুফপুর গ্রামের জিলাপিতলা -নামক স্থানে গত রাতে এই বাল্যবিয়ের আয়োজন করা হয়। বরের নাম মো: সোহাগ (১৭), সে স্থানীয় বাসিন্দা মো: শাহজালালের ছেলে। কনে মোসা: হাবিবা (১৬), যার বাড়ি ভুরঘাটা এলাকায়। আইন অনুযায়ী ছেলে ও মেয়ে—দুজনের কেউই বিয়ের আইনসম্মত বয়সে পৌঁছায়নি বলে জানাযায়। স্থানীয় গ্রাম পুলিশ প্রসেংজিৎ বিষয়টি জেনেও কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

‎বরের মা মোসা. পারভীন বেগম জানান, গত ৫ জুন হাবিবা নিজ বাড়ি থেকে চলে এসে তাদের বাড়িতে অবস্থান নেয়। পরে মেয়ের পরিবারকে খবর দেওয়া হলে তারা এসে মেয়েকে নিজেদের জিম্মায় নিয়ে যান। কিন্তু কয়েকদিন পর মেয়েটি পুনরায় তাদের বাড়িতে চলে এলে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বিয়ের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয় বলে তিনি দাবি করেন।
‎অন্যদিকে বরের বাবা মো. শাহজালাল বিয়ের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, “আমি রাতে বাড়িতে ছিলাম না। একটি মেয়ে আমাদের বাড়িতে এসেছে, সেটি জানি। তবে কোনো বিয়ে হয়নি।”

‎অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার সংবাদ প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়ার পর বরের বাবা ও কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি এক সংবাদকর্মীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে তাকে হুমকি দেন।

‎এদিকে বাল্যবিয়ের তথ্য সংগ্রহ করতে স্থানীয় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে বরের বড় ভাই মো. সোহেল তাদের কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে ভয়ভীতি প্রদর্শনেরও অভিযোগ রয়েছে।

‎স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাল্যবিয়ে রোধে যেখানে গ্রাম পুলিশের তৎপর থাকার কথা, সেখানে এই বিয়ের বিষয়টি স্থানীয় গ্রাম পুলিশ পুরোপুরি অবগত ছিলেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তিনি কোনো আইনগত পদক্ষেপ নেননি। যথাসময় পদক্ষেপ নেয়া হলে বাল্য বিয়েটি বন্ধ করা সম্ভব হতো। তাদের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন ভূমিকা এবং প্রভাবশালীদের হুমকির কারণে এলাকায় অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে।

‎এই প্রতিবেদন লেখার আগ পর্যন্ত ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন বা থানা পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। সচেতন মহল এই বাল্যবিয়ে বন্ধ করাসহ কর্তব্যরত সাংবাদিকদের হুমকি প্রদানকারী মো: সোহেল ও মো: শাহজালালসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।