ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র পাওয়াঃ
Logo কলাপাড়ায় হারিচ হত্যা মামলায় ইউপি সদস্য জসিমকে আসামি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন Logo কলাপাড়ায় প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ:থানায় মামলা। Logo মহিপুরে মুদি ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা: আ. লীগ নেতার ছেলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ Logo মহিপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বৃদ্ধ নিহত: নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার ১ জন Logo মহিপুর যুবদল নেতার মারধরের অভিযোগ প্রমাণিত: তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা মহিপুর থানা বিএনপির ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বাস্তব উদাহরণ Logo মহিপুরে ১১ বছরের শিশুকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা: ৬৫ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ট্যাংক বিতরণে দুর্নীতির অভিযোগ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে Logo মহিপুর ইউনিয়ন জামায়াত নেতার পদত্যাগ: কারণ হিসেবে নৈতিক অবক্ষয়ের অভিযোগ Logo মহিপুরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উদযাপিত Logo মহিপুরে গরু ব্যবসায়ীর ১৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির প্রেক্ষিতে থানায় অভিযোগ।
আজকের শিরোনামঃ
Logo কলাপাড়ায় হারিচ হত্যা মামলায় ইউপি সদস্য জসিমকে আসামি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন Logo কলাপাড়ায় প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ:থানায় মামলা। Logo মহিপুরে মুদি ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা: আ. লীগ নেতার ছেলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ Logo মহিপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বৃদ্ধ নিহত: নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার ১ জন Logo মহিপুর যুবদল নেতার মারধরের অভিযোগ প্রমাণিত: তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা মহিপুর থানা বিএনপির ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বাস্তব উদাহরণ Logo মহিপুরে ১১ বছরের শিশুকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা: ৬৫ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ট্যাংক বিতরণে দুর্নীতির অভিযোগ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে Logo মহিপুর ইউনিয়ন জামায়াত নেতার পদত্যাগ: কারণ হিসেবে নৈতিক অবক্ষয়ের অভিযোগ Logo মহিপুরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উদযাপিত Logo মহিপুরে গরু ব্যবসায়ীর ১৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির প্রেক্ষিতে থানায় অভিযোগ।

মহিপুরে বিএনপির তিন নেতার বিরুদ্ধে হামলা, জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

  • আপডেট সময় : ১১:৫২:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • ৫১৭ বার পড়া হয়েছে

 

পটুয়াখালীর মহিপুরে বিএনপির তিন নেতার বিরুদ্ধে হামলা, জমি দখল, শালিস বাণিজ্য, চাঁদাবাজি এবং দলীয় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি জমি-সংক্রান্ত একটি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন এক ভুক্তভোগী।
অভিযুক্তরা হলেন মহিপুর সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আইয়ুব আকন ফিরোজ, মহিপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বেল্লাল হোসেন গালিব এবং মহিপুর সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক তাউয়াব সরদার।

সংবাদ সম্মেলন ও স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অভিযুক্তরা দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার, শালিস বাণিজ্য, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন।

অভিযোগ রয়েছে, আইয়ুব আকন ফিরোজ ও তাউয়াব সরদার নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। তাউয়াব সরদারের বিরুদ্ধে পারিবারিক বিরোধে আপন ভাইকে মারধরের অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি করেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা।

অপরদিকে, বেল্লাল হোসেন গালিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি এক দফা আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাকে পুঁজি করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেন। অভিযোগকারীদের দাবি, বিভিন্ন মামলায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও নিজ দলের ব্যক্তিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করে পরে অর্থের বিনিময়ে নাম প্রত্যাহারের আশ্বাস দিয়ে অর্থ আদায় করেছেন তিনি। এছাড়া এলাকায় নানা অনিয়ম ও অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ শাহ আলম হাওলাদার অভিযোগ করেন, তার কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও তাকে একটি মামলায় আসামি করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি কোনো দিন মিছিল-মিটিং করিনি। পরে জানতে পারি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়ায় আমাকে প্রতিহিংসাবশত মামলায় জড়ানো হয়েছে।

কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের সদস্য মো. শামীম হাওলাদার অভিযোগ করেন, তিনি ও বেল্লাল হোসেন গালিব দীর্ঘদিন একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন। প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ অডিটে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গালিবের চাকরি চলে যাওয়ার পর থেকেই তিনি তার প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে মিথ্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে বলেও দাবি করেন শামীম। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, মামলার ভয় দেখিয়ে অনেকের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে গালিবের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য জাকির হোসেন দুলাল অভিযোগ করেন, আইয়ুব আকন ফিরোজ ও তার সহযোগীরা তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে মারধর করেন। এতে তার হাতের একটি আঙুল ভেঙে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পান। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

এসআরএসবি সমিতির সাবেক পরিচালক আল-আমিন হাওলাদার অভিযোগ করেন, রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় আইয়ুব আকন ফিরোজ, বেল্লাল হোসেন গালিব ও তাউয়াব সরদারসহ কয়েকজন তার পথরোধ করে হামলা চালায়। এতে তার হাঁটুর হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও ভয়ে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পান না।

এদিকে, সম্প্রতি জমি-সংক্রান্ত একটি ঘটনায় অর্থের বিনিময়ে অন্যের দখলীয় জমিতে ঘর নির্মাণে সহযোগিতার অভিযোগও ওঠে তাদের বিরুদ্ধে। পরে স্থানীয় বিএনপির নেতারা ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন বলে জানা গেছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বেল্লাল হোসেন গালিব বলেন, এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা কাউকে মারধর করিনি এবং কোনো জমি দখলের সঙ্গে জড়িত নই।

অপর অভিযুক্ত আইয়ুব আকন ফিরোজ বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এসব অভিযোগের জবাবে আমরা সংবাদ সম্মেলন করব।

মহিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ বলেন, অন্যায়কারীদের বিএনপিতে কোনো স্থান নেই। জমি-সংক্রান্ত বিরোধের ঘটনায় উভয় পক্ষের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। কাগজপত্র পর্যালোচনা করে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, জমিজমা-সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম
জনপ্রিয় সংবাদ

কলাপাড়ায় হারিচ হত্যা মামলায় ইউপি সদস্য জসিমকে আসামি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

মহিপুরে বিএনপির তিন নেতার বিরুদ্ধে হামলা, জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:৫২:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

 

পটুয়াখালীর মহিপুরে বিএনপির তিন নেতার বিরুদ্ধে হামলা, জমি দখল, শালিস বাণিজ্য, চাঁদাবাজি এবং দলীয় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি জমি-সংক্রান্ত একটি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন এক ভুক্তভোগী।
অভিযুক্তরা হলেন মহিপুর সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আইয়ুব আকন ফিরোজ, মহিপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বেল্লাল হোসেন গালিব এবং মহিপুর সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক তাউয়াব সরদার।

সংবাদ সম্মেলন ও স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অভিযুক্তরা দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার, শালিস বাণিজ্য, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন।

অভিযোগ রয়েছে, আইয়ুব আকন ফিরোজ ও তাউয়াব সরদার নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। তাউয়াব সরদারের বিরুদ্ধে পারিবারিক বিরোধে আপন ভাইকে মারধরের অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি করেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা।

অপরদিকে, বেল্লাল হোসেন গালিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি এক দফা আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাকে পুঁজি করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেন। অভিযোগকারীদের দাবি, বিভিন্ন মামলায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও নিজ দলের ব্যক্তিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করে পরে অর্থের বিনিময়ে নাম প্রত্যাহারের আশ্বাস দিয়ে অর্থ আদায় করেছেন তিনি। এছাড়া এলাকায় নানা অনিয়ম ও অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ শাহ আলম হাওলাদার অভিযোগ করেন, তার কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও তাকে একটি মামলায় আসামি করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি কোনো দিন মিছিল-মিটিং করিনি। পরে জানতে পারি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়ায় আমাকে প্রতিহিংসাবশত মামলায় জড়ানো হয়েছে।

কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের সদস্য মো. শামীম হাওলাদার অভিযোগ করেন, তিনি ও বেল্লাল হোসেন গালিব দীর্ঘদিন একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন। প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ অডিটে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গালিবের চাকরি চলে যাওয়ার পর থেকেই তিনি তার প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে মিথ্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে বলেও দাবি করেন শামীম। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, মামলার ভয় দেখিয়ে অনেকের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে গালিবের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য জাকির হোসেন দুলাল অভিযোগ করেন, আইয়ুব আকন ফিরোজ ও তার সহযোগীরা তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে মারধর করেন। এতে তার হাতের একটি আঙুল ভেঙে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পান। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

এসআরএসবি সমিতির সাবেক পরিচালক আল-আমিন হাওলাদার অভিযোগ করেন, রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় আইয়ুব আকন ফিরোজ, বেল্লাল হোসেন গালিব ও তাউয়াব সরদারসহ কয়েকজন তার পথরোধ করে হামলা চালায়। এতে তার হাঁটুর হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও ভয়ে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পান না।

এদিকে, সম্প্রতি জমি-সংক্রান্ত একটি ঘটনায় অর্থের বিনিময়ে অন্যের দখলীয় জমিতে ঘর নির্মাণে সহযোগিতার অভিযোগও ওঠে তাদের বিরুদ্ধে। পরে স্থানীয় বিএনপির নেতারা ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন বলে জানা গেছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বেল্লাল হোসেন গালিব বলেন, এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা কাউকে মারধর করিনি এবং কোনো জমি দখলের সঙ্গে জড়িত নই।

অপর অভিযুক্ত আইয়ুব আকন ফিরোজ বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এসব অভিযোগের জবাবে আমরা সংবাদ সম্মেলন করব।

মহিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ বলেন, অন্যায়কারীদের বিএনপিতে কোনো স্থান নেই। জমি-সংক্রান্ত বিরোধের ঘটনায় উভয় পক্ষের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। কাগজপত্র পর্যালোচনা করে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, জমিজমা-সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।