ঢাকা ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র পাওয়াঃ
Logo উপকূলীয় নদ-নদীতে চিংড়ির রেনু নিধন: হুমকির মুখে মৎস্যসম্পদ ও হ্যাচারি শিল্প। Logo ৬নং মহিপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা। Logo কুয়াকাটায় ভাড়া বাসা থেকে সাইয়েদুল আবেদিন নামের এক ব্যাক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। Logo মহিপুরকে উপজেলা বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে নাগরিক সভা অনুষ্ঠিত। Logo মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন ৫ জন: নতুন মুখ হিসেবে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন এবিএম মোশারফ হোসেন। Logo মহিপুরে জমি বিরোধে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার Logo কুয়াকাটায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা: পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল কিশোরের। Logo বিয়ের বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, ৩ জন আটক Logo মহিপুরে বিএনপির উদ্যোগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত Logo মহিপুরে ছোট ভাইকে পিটিয়ে নাক ফাটিয়ে দিলেন যুবদল নেতা!
আজকের শিরোনামঃ
Logo উপকূলীয় নদ-নদীতে চিংড়ির রেনু নিধন: হুমকির মুখে মৎস্যসম্পদ ও হ্যাচারি শিল্প। Logo ৬নং মহিপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা। Logo কুয়াকাটায় ভাড়া বাসা থেকে সাইয়েদুল আবেদিন নামের এক ব্যাক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। Logo মহিপুরকে উপজেলা বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে নাগরিক সভা অনুষ্ঠিত। Logo মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন ৫ জন: নতুন মুখ হিসেবে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন এবিএম মোশারফ হোসেন। Logo মহিপুরে জমি বিরোধে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার Logo কুয়াকাটায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা: পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল কিশোরের। Logo বিয়ের বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, ৩ জন আটক Logo মহিপুরে বিএনপির উদ্যোগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত Logo মহিপুরে ছোট ভাইকে পিটিয়ে নাক ফাটিয়ে দিলেন যুবদল নেতা!

নোনা মাটিতে মিষ্টির সুবাস: কুয়াকাটায় ৩৫ জাতের আম চাষে অভাবনীয় সাফল্য।

  • আপডেট সময় : ১০:৩২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • ৪২১ বার পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

ধান আর মুগ ডালের জন্য পরিচিত উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালী যে আমের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠতে পারে, তা প্রমাণ করে দেখিয়েছেন কুয়াকাটার স্থানীয় আমচাষী জাহাঙ্গীর মুসুল্লী। ৭ একর জমির ওপর বিশাল আমবাগান তৈরি করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন তিনি। তার এই সাফল্য এখন স্থানীয় অন্য কৃষকদের জন্যও এক বড় অনুপ্রেরণা।

দেশী-বিদেশী ৩৫ জাতের আম
​জাহাঙ্গীর মুসুল্লীর বাগানে বর্তমানে দেশীয় জনপ্রিয় জাতের পাশাপাশি চাষ হচ্ছে চমৎকার সব বিদেশী জাতের আম। বাগানজুড়ে রয়েছে প্রায় ১৫০০টি আমগাছ। তার সংগ্রহে থাকা

​ হাড়িভাঙ্গা, হিমসাগর।
​ মিয়াজাকি (সূর্যডিম), কিউজাই, ব্যানানা ম্যাংগো, রেড পালমার, ভেরিগেটেড, চাকাপাত, ফাংসু, চিয়াংমাই ইত্যাদি।

২০০৭ সালে মাত্র ২ একর জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে এই আম চাষ শুরু করেন জাহাঙ্গীর মুসুল্লী। প্রথমদিকেই ভালো ফলন ও লাভ হওয়ায় পরবর্তীতে বাগান সম্প্রসারণ করেন।

বাগানের কর্মী নয়া মিয়া জানান, বাগান পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণে বছরে প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয় হয়। গত বছর ফলন কিছুটা কম হলেও প্রায় ৭ লাখ টাকার আম বিক্রি হয়েছিল।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি মৌসুমে প্রায় ১০ লাখ টাকার আম বিক্রির আশা করছেন তারা।
​”তার বাগানের আম এখন শুধু স্থানীয় বাজারের চাহিদাই মেটাচ্ছে না, বরং গুণগত মান ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তেও সরবরাহ করা হচ্ছে।”

​আধুনিক পদ্ধতি ও সঠিক পরামর্শের কারণে এই বাগানে সফলতা এসেছে দ্রুত। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরাফাত হোসেন জাহাঙ্গীর মুসুল্লীর এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন:
​”আমরা সাধারণত মনে করি পটুয়াখালী জেলা মানেই শুধু ধান আর মুগ ডাল। তবে এই জেলা যে আমের স্বর্গরাজ্য হতে পারে, সেই ধারণা জাহাঙ্গীর মুসুল্লীর বাগান না দেখলে হতো না। আমাদের কৃষি অফিস থেকে তাকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়া অব্যাহত থাকবে।”
​উপকূলীয় অঞ্চলের লবণাক্ত আবহাওয়ায় এমন বৈচিত্র্যময় আমের বাগান তৈরি করে জাহাঙ্গীর মুসুল্লী প্রমাণ করেছেন—সঠিক উদ্যোগ ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহারে যেকোনো মাটিতেই সোনা ফলানো সম্ভব।

উপকূলীয় নদ-নদীতে চিংড়ির রেনু নিধন: হুমকির মুখে মৎস্যসম্পদ ও হ্যাচারি শিল্প।

নোনা মাটিতে মিষ্টির সুবাস: কুয়াকাটায় ৩৫ জাতের আম চাষে অভাবনীয় সাফল্য।

আপডেট সময় : ১০:৩২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

ধান আর মুগ ডালের জন্য পরিচিত উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালী যে আমের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠতে পারে, তা প্রমাণ করে দেখিয়েছেন কুয়াকাটার স্থানীয় আমচাষী জাহাঙ্গীর মুসুল্লী। ৭ একর জমির ওপর বিশাল আমবাগান তৈরি করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন তিনি। তার এই সাফল্য এখন স্থানীয় অন্য কৃষকদের জন্যও এক বড় অনুপ্রেরণা।

দেশী-বিদেশী ৩৫ জাতের আম
​জাহাঙ্গীর মুসুল্লীর বাগানে বর্তমানে দেশীয় জনপ্রিয় জাতের পাশাপাশি চাষ হচ্ছে চমৎকার সব বিদেশী জাতের আম। বাগানজুড়ে রয়েছে প্রায় ১৫০০টি আমগাছ। তার সংগ্রহে থাকা

​ হাড়িভাঙ্গা, হিমসাগর।
​ মিয়াজাকি (সূর্যডিম), কিউজাই, ব্যানানা ম্যাংগো, রেড পালমার, ভেরিগেটেড, চাকাপাত, ফাংসু, চিয়াংমাই ইত্যাদি।

২০০৭ সালে মাত্র ২ একর জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে এই আম চাষ শুরু করেন জাহাঙ্গীর মুসুল্লী। প্রথমদিকেই ভালো ফলন ও লাভ হওয়ায় পরবর্তীতে বাগান সম্প্রসারণ করেন।

বাগানের কর্মী নয়া মিয়া জানান, বাগান পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণে বছরে প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয় হয়। গত বছর ফলন কিছুটা কম হলেও প্রায় ৭ লাখ টাকার আম বিক্রি হয়েছিল।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি মৌসুমে প্রায় ১০ লাখ টাকার আম বিক্রির আশা করছেন তারা।
​”তার বাগানের আম এখন শুধু স্থানীয় বাজারের চাহিদাই মেটাচ্ছে না, বরং গুণগত মান ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তেও সরবরাহ করা হচ্ছে।”

​আধুনিক পদ্ধতি ও সঠিক পরামর্শের কারণে এই বাগানে সফলতা এসেছে দ্রুত। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরাফাত হোসেন জাহাঙ্গীর মুসুল্লীর এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন:
​”আমরা সাধারণত মনে করি পটুয়াখালী জেলা মানেই শুধু ধান আর মুগ ডাল। তবে এই জেলা যে আমের স্বর্গরাজ্য হতে পারে, সেই ধারণা জাহাঙ্গীর মুসুল্লীর বাগান না দেখলে হতো না। আমাদের কৃষি অফিস থেকে তাকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়া অব্যাহত থাকবে।”
​উপকূলীয় অঞ্চলের লবণাক্ত আবহাওয়ায় এমন বৈচিত্র্যময় আমের বাগান তৈরি করে জাহাঙ্গীর মুসুল্লী প্রমাণ করেছেন—সঠিক উদ্যোগ ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহারে যেকোনো মাটিতেই সোনা ফলানো সম্ভব।